সাকিব-মোস্তাফিজ নয় ম্যাচ জয়ে তামিমের চোখে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব রেখেছে যে বোলার

সাকিব আল হাসানের অলরাউন্ড নৈপুণ্য আর মুস্তাফিজুর রহমানের জাদুকরি বোলিংয়ে ওমানকে ২৬ রানে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের দ্বিতীয় পর্বে খেলার আশা বাঁচিয়ে রাখলো বাংলাদেশ। ব্যাট হাতে ৪২ রানের ইনিংসের পর বল হাতে ৩ উইকেট তুলে নিয়েছেন এই টাইগার তারকা।

ইতোমধ্যে গ্রুপ ‘বি’ থেকে টানা দুই ম্যাচ জিতে মূল পর্বে খেলা প্রায় নিশ্চিত করে ফেলেছে স্কটল্যান্ড। একটি করে ম্যাচ জিতে দুই ও তিন নম্বরে রয়েছে যথাক্রমে ওমান ও বাংলাদেশ। মাঝারি পুঁজি নিয়ে খেলতে নেমে নিজের প্রথম ওভারে বোলিংয়ে এসেই উইকেটের দেখা পেলেন মুস্তাফিজুর রহমান।

দুর্দান্ত এক ডেলিভারিতে আকিব ইলিয়াসকে লেগ বিফোরের ফাঁদে ফেলেছেন বাঁহাতি এই পেসার। যদিও ২ রান করা জতিনদার সিংহের একটি ক্যাচ স্লিপে দাঁড়িয়ে হাত ফসকেছেন মুস্তাফিজ। এই পেসারের ওভারেই জতিনদারের আরেকটি ক্যাচ ছেড়েছেন মাহমুদউল্লাহ। যদিও সেই ওভারেই ১৮ বলে ২১ রান করা ক্যাশাপ প্রজাপতিকে আউট করে বাংলাদেশ শিবিরে স্বস্তি ফেরান মুস্তাফিজ। ১৬ বলে ১২ রান করা জিশান মাকসুদকে ফিরিয়েছেন শেখ মেহেদী। ওমানের এই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যানকে দারুণ এক ক্যাচে সাজঘরে ফেরান মুস্তাফিজ।

একপ্রান্ত আগলে রাখা জতিনদার সিংকে আউট করেছেন সাকিব। এই টাইগার স্পিনারের বল ডিপ স্কয়ারে উড়িয়ে মেরেছিলেন জতিনদার। সেই ক্যাচ অনায়াসে লুফে নিয়েছেন লিটন। এরপর আর ঘুড়ে দাঁড়াতে পারেনি ওমান। দ্রুত তারা আরও বেশ কয়েকটি উইকেট হারিয়েছে।

সন্দীপ গাউদ কভার দিয়ে উড়িয়ে মারতে গিয়ে মোহাম্মদ সাইফউদ্দিনের বলে মুশফিকুর রহিমের হাতে ক্যাচ দিয়েছেন। সাকিব নিজের শেষ ওভার করতে এসে ফিরিয়েছেন আয়ান খান (৯) ও নাসিম খুশিকে (৪)। নিজের তৃতীয় ওভারে কালিমউল্লাহকে নিজের তৃতীয় শিকার বানান মুস্তাফিজ। একই ওভারে ফায়াজ বাটকেও সাজঘরে পাঠান তিনি। তাদের সংগ্রহ থামে ৯ উইকেট হারিয়ে ১২৭ রানে।

ম্যাচ শেষে দ্যা তামিম ইকবাল শোতে তামিম ইকবাল বলেন, যদিও উইকেট শিকার করে প্রতিপক্ষকে দূর্বল করে দিয়েছে সাকিব-মুস্তাফিজ কিন্তু আজকের জয়ে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে মেহেদির ওভার গুলো। সে সঠিক সময়ে ডটবল গুলো দিয়ে ওমানকে চেপে ধরেছিল।

You May Also Like

About the Author: