উইন্ডিজদের মাথাব্যথার নাম সাকিব আল হাসান

আসন্ন ওয়ানডে সিরিজে টাইগার অলরাউন্ডার সাকিব আল হাসান ওয়েস্ট ইন্ডিজ দলের বড় ভাবনায়। সাথে বাংলাদেশ অধিনায়ক তামিম ইকবালের ব্যাটিংও আছে চিন্তায়। এমনটাই জানিয়েছেন দলটির অলরাউন্ডার কাইল মায়ার্স। বাংলাদেশের বিপক্ষে স্বপ্নীল অভিষেকের আগে দারুণ রোমাঞ্চিত বার্বাডোজের এই ক্রিকেটার।

 

ওয়েষ্ট ইন্ডিজ দলের বেশিরভাগ ক্রিকেটারই বাংলাদেশের সমর্থকদের কাছে অপরিচিত। তাদের মধ্যে অন্যতম হলেন কাইল মায়ার্স। তবে, যারা সিপিএল নিয়মিত দেখেন তাদের কাছে কিছুটা পরিচিত হবার কথা এই মুখটা।

বাঁ-হাতি মিডিয়াম পেস অলরাউন্ডার দলের জন্য খুবই কার্যকরী। বিশেষ করে লেইট অর্ডারে ব্যাটিংয়ে বিধ্বংসী মায়ার্স। অফ সাইডে শট খেলতে খুবই পছন্দ করেন। করোনাকালে ইংল্যান্ড সফরে টেস্ট দলে ছিলেন। তবে খেলার সুযোগ হয়নি। বাংলাদেশের বিপক্ষে দুই ফরম্যাটের দলেই আছেন। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি অভিষেক হয়েছে। এবার মিরপুরে ওয়ানডে ফরম্যাটে অভিষেকের অপেক্ষায় তিনি।

 

কাইল মায়ার্স বলেন, এটা আমার স্বপ্ন ছিল, ক্যারিবীয়ানদের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করা। অবশেষে সেই স্বপ্নপূরণ হচ্ছে। দলের অনেক সিনিয়র ক্রিকেটার আসেনি এটা তরুণদের জন্য দারুণ একটা সুযোগ। এই সিরিজে ভালো পারফরম্যান্স করলে ভবিষ্যতে দলে জায়গা শক্ত হবে।

বাংলাদেশ দল সম্পর্কে বেশ ধারণা আছে বার্বাডোজের এই ২৮ বছর বয়সী ক্রিকেটারের। ক্যারিবীয়ান ক্রিকেট লিগ- সিপিএলে একই দলে সাকিবকে সতীর্থ হিসেবে পেয়েছেন। তাই সাকিবের দক্ষতা সম্পর্কে বেশ জানা আছে মায়ার্সের। কাছ থেকে দেখেছেন তামিম ইকবালকেও। তাই ক্যারিবীয়দের দুঃশ্চিন্তার নাম বাংলার এই দুই ক্রিকেটার।

কাইল মায়ার্স বলেন, সাকিব বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তার সাথে একই ড্রেসিং রুম শেয়ার করেছি। সে ব্যাটিং-বোলিংয়ে যে কোন দলের জন্যই ম্যাচ উইনার। এছাড়াও, তামিম ইকবাল আমার দৃষ্টিতে বিশ্বসেরা ব্যাটসম্যানদের মধ্যে অন্যতম। এই ২ ক্রিকেটার আমাদের জন্য হুমকি।

এদিকে, তৃতীয় দিনে নির্ধারিত সময়ের অন্তত মিনিট ত্রিশেক আগেই অনুশীলন মাঠে আসে উইন্ডিজরা। স্ট্রেন্থ-জিম আর রানিং বিটুইন দ্যা উইকেট। করোনাকালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজ দিয়ে তারাই ফিরেছিল আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। ইংল্যান্ড-নিউজিল্যান্ড সফরের পর বাংলাদেশের এসেছে দলের অনেক ক্রিকেটার। এতো ধকল যাবার পরও ফিটনেস নিয়ে সন্তুষ্ট দলের ট্রেনার।

রোল্যান্ড রজার্স বলেন, করোনাকালে ক্রিকেট খেলা চালিয়ে যাওয়া খুবই চ্যালেঞ্জিং। দলের ক্রিকেটারদের সবারই স্কিল নিয়ে বেশি মনোযোগ দিয়েছি। সবার ফিটনেস এখন পর্যন্ত ইতিবাচক।

সংশ্লিষ্ট খবর

Leave a Comment