পেরুর বিপক্ষে খেলতে নেমে নতুন এক রেকর্ড গড়লেন মেসি বাহিনী

প্রথমার্ধ শেষের দিকে, আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকা আর্জেন্টিনা তখনও গোলের দেখা পায়নি একটাও। আনহেল ডি মারিয়ার পায়ে বল; বাড়িয়ে দিলেন ডান প্রান্ত দিয়ে ঢুকে পড়ার চেষ্টায় থাকা নাহুয়েল মলিনাকে। মলিনা একটুও সময় না নিয়েই সজোড়ে ক্রস করলেন; উদ্দেশ্য লাউতারো মার্তিনেজ। ক্ষিপ্র গতিতে বাজপাখির মতো উড়ে এসে মার্তিনেজের হেড এবং গোল। ঘরের মাঠে পুরো স্টেডিয়াম তখন উল্লাসে মত্ত।

অথচ এই উল্লাসটা আসতে পারতো আরো আগেই। ম্যাচের একদম শুরুতেই ডান প্রান্ত থেকে নেয়া ডি মারিয়ার শট এবং বাম প্রান্ত থেকে নেয়া লিওনেল মেসির শট দুটোই চলে যায় গোলবারের সাইড দিয়ে।

একবার তো ফ্রি-কিক থেকে গোলও করে বসেছিল আর্জেন্টিনা; ক্রিশ্চিয়ান রোমেরোর হেড করা বলটা জালেই গিয়ে জড়িয়েছিলো পেরুর, কিন্তু বেশ খানিকটা সময় ভিএআরে পর্যবেক্ষণ করার পর বাতিল ঘোষণা করা হয় গোলটাকে। রোমেরো যে ছিলেন অফসাইডে!

ম্যাচের একদম শুরুতেই গোলের একবার সুযোগ তৈরী করেছিল পেরুও; নিকোলাস ওটামেন্ডির ফাউলে ডি বক্সের একদম সামনেই ফ্রি-কিক পেয়ে যায় সফরকারীরা।

সেখান থেকেই জিয়ানলুকা লাপাডুলার নেয়া ফ্রি-কিকটাকে ডান প্রান্তে ঝাপিয়ে রুখে দেন আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। দ্বিতীয়ার্ধের ৬৩ মিনিটে তো পেনাল্টিই পেয়ে যায় পেরু; ইয়োসিমার ইয়োতানের নেয়া পেনাল্টি কিকটি মার্তিনেজের ডান প্রান্তের গোলবারের উপর দিয়েই চলে যায়!


ম্যাচের বাকি সময়ে আক্রমণ প্রতি আক্রমণে খেলা এগোলেও গোলের দেখা পায়নি কোনো দলই। ঘরের মাঠে ১-০ গোলে জয়ের মধ্য দিয়ে সবমিলে সর্বশেষ ২৫ ম্যাচে অপরাজিত মেসিরা।

You May Also Like

About the Author: