বায়ার্নের এরনঁদেজের ৬ মাসের জেল

স্ত্রীর বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হওয়ার পর আদালতের আদেশ অমান্য করায় বায়ার্ন মিউনিখ ও ফ্রান্সের ডিফেন্ডার লুকাস এরনঁদেজ ছয় মাসের কারাদণ্ড পেয়েছেন।

মাদ্রিদের একটি আদালত এই রায় দিয়েছে। আগামী মঙ্গলবার এরনঁদেজকে আদালতে হাজির হতেই হবে। এরপর তার স্বেচ্ছায় কারাগারে যাওয়ার জন্য ১০ দিন সময় থাকবে। নিজের পছন্দের কারাগারও বেছে নিতে পারবেন তিনি।

শাস্তির বিরুদ্ধে এর মধ্যেই আপিল করেছেন ২৫ বছর বয়সী এই ফুটবলার।

২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে এরনঁদেজ মারামারিতে জড়ান সেই সময়কার বান্ধবী আমেলিয়া ইয়োরেন্তের সঙ্গে। সেই আমেলিয়াই এখন তার স্ত্রী। সেসময় অবশ্য দুজনের কেউ পরস্পরের বিরুদ্ধে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করেননি। শরীরে কিছুটা আঘাত পাওয়ায় হাসপাতালে চিকিৎসা নেন আমেলিয়া।

তাকে লাঞ্ছিত করার জন্য এরনঁদেজকে ৩১ দিনের জনসেবামূলক কাজের সাজা দেওয়া হয়েছিল। তখন তিনি খেলতেন আতলেতিকো মাদ্রিদে।

এরনদেঁজকে তখন আমেলিায়ার ৫০০ মিটারের মধ্যে না থাকার আদেশও দেওয়া দেওয়া হয়েছিল। সহিংসতা, হামলা ও সম্পত্তির ক্ষতি করার জন্য আমেলিয়াকেও ৩১ দিনের জনসেবামূলক কাজের সাজা দেওয়া হয়েছিল।

নিজেদের মধ্যে সেই তিক্ত ঘটনা ভুলে পরে মিল হয়ে যায় এরনঁদেজ ও আমেলিয়ার। কিছুদিন পর বিয়েও করেন তারা। বিয়ের পর ওই বছরই একসঙ্গে মাদ্রিদে ফিরে আইনের বেড়াজালে ফেঁসে যান এরনঁদেজ।

আদেশ অমান্য করায় এরনঁদেজকে তখন গ্রেফতার করা হয়েছিল। ওই অপরাধে ২০১৯ সালে তাকে ছয় মাসের স্থগিত কারাদণ্ড দেয় আদালত। ফরাসি এই ডিফেন্ডার তখন আপিল করলেও হেরে যান।

২০১৪ সালে আতলেতিকোর হয়ে পেশাদার ফুটবলে অভিষেক হয় এরনঁদেজের। ২০১৯ সালে তিনি যোগ দেন বায়ার্নে। ফ্রান্সের হয়ে তিনি খেলেছেন ২৯ ম্যাচ। ২০১৮ সালে জিতেছেন বিশ্বকাপ। গত রোববার পেয়েছেন উয়েফা নেশন্স লিগ জয়ের স্বাদ।

সংশ্লিষ্ট খবর