বিতর্কিত পেনাল্টি নিয়ে বললেন নেপালের কোচ

তাদের ফুটবল ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নেপাল সাফ ফাইনালে উঠেছে। তার সামর্থ্য ছাড়াও, রেফারির সিদ্ধান্তও তার চূড়ান্ত খেলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। পেনাল্টির সিদ্ধান্তটি বিশেষভাবে বিতর্কিত ছিল। ম্যাচ-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে কুয়েতি কোচ নেপালের কোচ আলমুতির আবদুল্লাহকে জিজ্ঞেস করেন, পেনাল্টির সিদ্ধান্ত সঠিক কিনা।

আলমুতাইরি আব্দুল্লাহ বললেন, ‘যদি বলি হ্যাঁ বা না তাহলে মিথ্যা বলা হতে পারে। আমার কাছে মনে হয়েছে এটি পেনাল্টি কিন্তু আমি নিশ্চিত নই।’

ম্যাচের ৮৮ মিনিটে অঞ্জন বিস্টা পেনাল্টি থেকে নেপালকে ম্যাচে সমতা এনে দেন। তবে নেপালের কোচ ম্যাচের টার্নিং পয়েন্ট মনে করেন অন্যটি, ‘বাংলাদেশের গোলরক্ষক যখন লাল কার্ড পেল সেটিই মূলত বাংলাদেশকে পেছনে ফেলে দিয়েছে।’

এই ম্যাচে বাংলাদেশের সঙ্গে ভাগ্য ছিল না বলে মন্তব্য করেন নেপালের কোচ, ‘ফুটবলে কিছুদিন ভাগ্য আপনার সঙ্গে থাকবে। আবার কিছুদিন থাকবে না। এবার বাংলাদেশের পক্ষে ভাগ্য সেভাবে ছিল না।’

নেপালকে সাফের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো ফাইনালে তুলে কুয়েতের কোচ নিজের রুগ্মমূর্তি দেখিয়েছেন। আগে থেকেই ফেডারেশনের সঙ্গে তার দূরত্ব চলছিল। এবার কোচের রাগের কাঠগড়ায় নেপালের এক মিডিয়া। দলকে ফাইনালে তুলেও সেই মিডিয়াকে এক হাত নিয়েছেন,

‘গতকাল দলের অনুশীলন ছিল। এজন্য আমি সংবাদ সম্মেলনে আসেনি। তারা একতরফা নিউজ করেছে। আমার ১১ বছর বয়সের সন্তান সেই নিউজের মন্তব্য আমাকে দেখিয়েছে। আমার পরিবার-সন্তান রয়েছে। কোচরা দাস নয় তাদেরও সম্মান আছে।’

সাফের এই ফাইনালের শেষ ম্যাচে দায়িত্ব পালন করে আর নেপালে ফিরবেন না সাফ জানিয়ে দিয়েছেন কুয়েতী কোচ, ‘ফাইনাল ম্যাচটিই আমার নেপালের হয়ে শেষ ম্যাচ। আমি আর নেপালে ফিরব না।’

সংশ্লিষ্ট খবর