আইসিসির চোখে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেরা ‘১০’ ক্রিকেটার দেখেনিন সাকিবের অবস্থান

একজন ক্রিকেটারের বড় ক্রিকেটার হয়ে ওঠার পেছনে বড় ভূমিকা রাখে বড় মঞ্চে পারফর্ম করা। টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটের জন্য সবচেয়ে বড় মঞ্চ নিশ্চিতভাবেই আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ।

গেল ছয় বারের আসরে বেশ কিছু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স হয়েছে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। ২০০৭ থেকে এখন অব্দি বিশ্বকাপে পারফর্ম করা ক্রিকেটাররাই খেলাটির সেরা পারফর্মার।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ২০২১ কে সামনে রেখে আইসিসি ১০ জন ক্রিকেটারের নাম জানিয়েছে যারা কিনা এই টুর্নামেন্টে নিজেদের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।

১. শহীদ আফ্রিদি (পাকিস্তান)- ৩৪ ম্যাচে ৫৪৬ রান, ৩৯ উইকেট
পাকিস্তানের শহীদ আফ্রিদি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ইতিহাসে সর্বোচ্চ উইকেট (৩৯) সংগ্রাহক। পাকিস্তানের সাবেক এই পোস্টার বয় ব্যাটে-বলে সমান অবদান রেখেছেন।

২০০৯ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে শিরোপা জিতেছিল পাকিস্তান। সেবার ফাইনালে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচসেরা হয়েছিলেন আফ্রিদি। ২০ রানে ১ উইকেট নেওয়া আফ্রিদি ৪০ বলে অপরাজিত ৫৪ রান করেছিলেন।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে তার চেয়ে বেশি ম্যাচ খেলেছেন কেবল তিলকারত্নে দিলশান (৩৫)। ব্যাট হাতে তিনি এখন অব্দি ১৪ তম সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক, ১৫৪.২৩ স্ট্রাইক রেটে।

২. সাকিব আল হাসান (বাংলাদেশ)- ২৫ ম্যাচে ৫৬৭ রান, ৩০ উইকেট
আইসিসির করা সেরা ১০ এর তালিকায় সাকিব আল হাসানই একমাত্র যিনি কিনা কখনো সেমি ফাইনালেই খেলেননি। দল ভালো না করলেও সাকিব আল হাসান নিজের পারফরম্যান্স দিয়ে নজর কেড়েছেন।

টুর্নামেন্টের প্রথম আসর খেলা সাকিব মাত্র ৮ ক্রিকেটারের তালিকায় আছেন যারা কিনা এবারও খেলবেন। বিশ্বকাপে সাকিব আছেন গ্রেট অলরাউন্ডার হিসাবে।

আফ্রিদির সঙ্গে সাকিব টুর্নামেন্টে অন্তত ৫০০ রান ও ৩০ উইকেট নেওয়া ক্রিকেটার।

৩. স্যামুয়েল বদ্রি (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)-১৫ ম্যাচে ২৪ উইকেট
তালিকায় অন্যদের মত অত নান্দনিক পরিসংখ্যান না থাকলেও ওয়েস্ট ইন্ডিজের স্পিনার স্যামুয়েল বদ্রি দারুণ অবদান রেখেছেন।

সুনীল নারাইনের সঙ্গে জুটি গড়ে বদ্রি দেখিয়েছেন টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে স্পিনাররা শুরুতে কতটা বিপজ্জনক হতে পারে।

টুর্নামেন্টের ইতিহাসে তার বোলিং গড় (১৩.৫৮) সেরা, ইকোনমি রেটে (৫.৫২) কেবল নারাইনের পেছনে।

৪. এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা)- ৩০ ম্যাচে ৭১৭ রান, ৩০ ক্যাচ
দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটের তিন ফরম্যাটেই সমান অবদান রাখা এবি ডি ভিলিয়ার্স টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও নিজের সক্ষমতার প্রমাণ দিয়েছেন।

৫. তিলকারত্নে দিলশান (শ্রীলঙ্কা)- ৩৫ ম্যাচে ৮৯৭ রান
৬. ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)- ২৮ ম্যাচে ৯২০ রান
৭. মাহেলা জয়াবর্ধনে (শ্রীলঙ্কা)- ৩১ ম্যাচে ১০১৬ রান

৮. ভিরাট কোহলি (ভারত)- ১৬ ম্যাচে ৭৭৭ রান
৯. লাসিথ মালিঙ্গা (শ্রীলঙ্কা)- ৩১ ম্যাচে ৩৮ উইকেট
১০. কেভিন পিটারসেন (ইংল্যান্ড)- ১৫ ম্যাচে ৫৮০ রান
মাত্র ১৫ ম্যাচ খেললেও নিজের জাত চেনাতে সময় নেননি কেভিন পিটারসেন। ২০১০ সালে ইংল্যান্ডের শিরোপা জেতার আসরে পিটারসেন ছিলেন অনবদ্য, হয়েছিলেন টুর্নামেন্ট সেরা।

অন্তত ১০ ইনিংস ব্যাট করেছেন এমন ক্রিকেটারদের মধ্যে কেবল ভিরাট কোহলি ও মাইক হাসির ব্যাটিং গড় কেভিন পিটারসেনের (৪৪.৬১) চেয়ে বেশি।

টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহকের সেরা দশে পিটারসেনের ১৪৮.৩৩ ই সর্বোচ্চ।

You May Also Like