বল হাতে জ্বলে উঠেও একটি কারনে জ্বলে উঠা হলো না সাকিবের!

শারজাহ ক্রিকেট স্টেডিয়ামে বাঁচা-মরার লড়াইয়ে খুব বেশি রান করতে পারলো না রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু। কলকাতা নাইট রাইডার্সের চতুর্মুখী আক্রমণে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১৩৮ রানে থেমেছে ব্যাঙ্গালুরুর ইনিংস। ম্যাচ জিতে দ্বিতীয় কোয়ালিফায়ারের টিকিট পেতে সাকিব আল হাসানদের সামনে লক্ষ্য ১৩৯ রান।

টস জিতে আগে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন ব্যাঙ্গালুরু অধিনায়ক বিরাট কোহলি। কলকাতার পক্ষে প্রথম ওভারেই আক্রমণে আসেন সাকিব। সেই ওভারের শেষ বলে বাউন্ডারি হজম করলেও সাত রানের বেশি দেননি বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। তবে পাওয়ার প্লে’তে আর বোলিংয়ে আনা হয়নি তাকে।

অধিনায়ক কোহলি ও বাঁহাতি ওপেনার দেবদূত পাড্ডিকালের উদ্বোধনী জুটিতে প্রথম পাঁচ ওভারেই ৪৯ রান তুলে ফেলেছিলো ব্যাঙ্গালুরু। তবে ষষ্ঠ ওভারের প্রথম বলেই ২১ রান করা পাড্ডিকালকে সাজঘরে পাঠিয়ে দেন লকি ফার্গুসন। এরপর আর রানের চাকা সচল রাখতে পারেনি ব্যাঙ্গালুরু।

শুরুটা বেশ আক্রমণাত্মকভাবে করলেও, ক্রমেই কমতে থাকে কোহলির স্ট্রাইকরেট। শেষপর্যন্ত সুনিল নারিনের বলে বোল্ড হওয়ার আগে ৩৩ বলে ৩৯ রান করেন তিনি। কোহলির আগেই ব্যাঙ্গালুরুর আগের ম্যাচের নায়ক শ্রিকার ভারতকে (১৬ বলে ৯) সাজঘরে পাঠিয়ে দেন নারিন।

পরে দলের হাল ধরতে পারেননি তারকা ক্রিকেটার এবি ডি ভিলিয়ার্স ও গ্লেন ম্যাক্সওয়েল। ভিলিয়ার্সের ব্যাট থেকে আসে ৯ বলে ১১ রান আর ম্যাক্সওয়েল ১৫ রান করতে খেলেন ১৮টি বল। এর বাইরে ১৪ বলে ১৩ রান করেন শাহবাজ আহমেদ। শেষদিকে হার্শাল প্যাটেলের ৬ বলে ৮ রানের সুবাদে ১৩৮ পর্যন্ত যায় ব্যাঙ্গালুরুর সংগ্রহ।

কলকাতার পক্ষে বল হাতে সবচেয়ে সফল সুনিল নারিন। তিনি চার ওভারে মাত্র ২১ রান খরচায় নিয়েছেন চারটি উইকেট। পেসার লকি ফার্গুসনের শিকার দুই উইকেট। ঝুলিতে কোনো উইকেট পুরতে না পারলেও, চার ওভারে মাত্র ২৪ রান খরচ করেছেন সাকিব।

সাকিবের জ্বলে ওঠা হলোনা কারন চার ওভার বলিং করে ২৪ রান দিয়ে কোন উইকেট পায়নি।

You May Also Like

About the Author: