অস্ট্রেলিয়া ভারত করলে স্লোজিং আর বাংলাদেশ করলে আইসিসির কোড অব কন্ডাক্ট ভঙ্গ

চলতি বাংলাদেশ বনাম অস্ট্রেলিয়া সিরিজে ঘটে একটি ঘটনা। যাকে কেন্দ্র করে বাক বিতন্ডায় জড়াই রিয়াদ ও মিচেল মার্শ। অস্ট্রেলিয়ার টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান মিচেল মার্শকে আউটের পর চোখ রাঙানি দেয়ায় আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কৃত করা হয়েছে বাংলাদেশ দলের বাঁহাতি পেসার শরিফুল ইসলামকে। পাশাপাশি একটি ডিমেরিট পয়েন্টও দেয়া হয়েছে তাকে।

শুক্রবার পাঁচ ম্যাচ সিরিজের তৃতীয় টি-টোয়েন্টিতে মার্শকে ক্যাচ আউট করার পর উদ্দাম উদযাপনের আগে কড়া চোখ রাঙানি দিয়েছিলেন শরিফুল। ক্রিকেটীয় পরিভাষায় যাকে বলে সেন্ড অফ। আর এটি ছিল লেভেল-১ অপরাধ।

আইসিসির কোড অব কন্ডাক্টের আর্টিকেল ২.৫ অনুচ্ছেদের আইন ভঙ্গ করায় আনুষ্ঠানিকভাবে তিরস্কৃত ও একটি ডিমেরিট পয়েন্ট দেয়া হয়েছে শরিফুলকে। আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ারে এটিই প্রথম ডিমেরিট পয়েন্ট তার।

শরিফুল নিজের অপরাধ স্বীকার করে নেয়ায় আনুষ্ঠানিক কোনো শুনানির প্রয়োজন হয়নি। ম্যাচ রেফারি নিয়ামুর রশিদ রাহুলের দেয়া শাস্তিই বহাল থেকেছে। লেভেল-১ অপরাধে সর্বনিম্ন তিরস্কার এবং সর্বোচ্চ ম্যাচ ফি’র ৫০ শতাংশ জরিমানা ও এক বা দুই ডিমেরিট পয়েন্টের বিধান রয়েছে।

মার্শ ও শরিফুলের ঘটনার শুরু অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসের দশম ওভারে। সেই ওভারে শরিফুলকে দুইটি বাউন্ডারি হাঁকান মার্শ। পঞ্চম বলটি বলটিই মিস করেন মার্শ, লেগে যায় তার উরুতে। এরপরই যেন মেজাজ কিছুটা বিগড়ে যায় অসি ব্যাটসম্যানের। শরিফুলের দিকে তাকিয়ে দুই-একটা বাক্য ছুড়ে দেন।

তখন সামনে তেড়ে গেলেও কোনো বাক্য উচ্চারণ করেননি শরিফুল। তার পক্ষে মার্শকে দুই-এক কথা শুনিয়ে দেন অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও উইকেটরক্ষক নুরুল হাসান সোহান। পরের বল ডট করেও উত্তেজিত শরীরী ভাষা দেখান শরিফুল।

পরে শরিফুলেরই করা ইনিংসের ১৮তম ওভারের প্রথম বলে সাজঘরে ফিরে যান মার্শ। তখনই উদ্দাম উদযাপনে মাতেন শরিফুল। সাজঘরের দিকে হাঁটা ধরা মার্শের কাছে গিয়ে চোখ রাঙানি দেন শরিফুল। যা ভেঙেছে আইসিসির ২.৫ অনুচ্ছেদের আইন। যে কারণে তিরস্কৃত হলেন এ তরুণ পেসার।

সংশ্লিষ্ট খবর