জয়ের পর বাংলাদেশের জন্য বিশেষ বার্তা দিলেন অ্যাডাম গিলক্রিস্ট

প্রথম ম্যাচে হারার পর কথাটা বলেছিলেন অস্ট্রেলিয়া অধিনায়ক ম্যাথু ওয়েড। বলেছিলেন, ‘আমরা জানতাম, এমন কিছুই অপেক্ষা করছে।’ কাল টানা দ্বিতীয় হারের পর অস্ট্রেলিয়ার অলরাউন্ডার ময়জেস হেনরিকেসের উপলব্ধি, ‘এটা অস্ট্রেলিয়ার মতো পরিচিত কন্ডিশন নয়।

তবে যদি আমরা মানিয়ে নিতে পারি, তাহলে আমার বিশ্বাস, আমরা এখনো সিরিজ জিততে পারি।’বোঝাই যাচ্ছে, বাংলাদেশের কন্ডিশন নিয়ে সব জেনেবুঝে ‘হোমওয়ার্ক’ করে এসেও অস্ট্রেলিয়ার অঙ্ক মিলছে না। সেই অঙ্কটা ব্যাটিংয়ের।

বাংলাদেশ সফরে কিসের মুখোমুখি হতে হয়, সফরকারী দলগুলোর তা জানা—স্পিনবান্ধব উইকেট ও স্পিনারদের আধিক্য। অস্ট্রেলিয়াও নিশ্চয়ই এর প্রস্তুতি নিয়ে এসেছে। প্রশ্নবোধক চিহ্নটা রাখতে হচ্ছে;

কারণ, টি-টোয়েন্টি সিরিজে প্রথম দুই ম্যাচ শেষে ব্যাটিংয়ে যে সে প্রস্তুতির প্রতিফলন নেই! কোভিড-১৯ আতঙ্ক এবং অতি সাবধানতায় অস্ট্রেলিয়া ব্যাটিংটাই ভুলে গেল কি না, কে জানে! মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে প্রথম দুটি ম্যাচের উইকেট ছিল আলাদা।

ধারাভাষ্য দিতে আসা শ্রীলঙ্কার সাবেক অলরাউন্ডার ফারভিজ মাহরুফের হিসাবে, প্রথম ম্যাচের উইকেট ছিল ইনিংসে গড়ে ১৬০ রানের। কালকের ম্যাচের উইকেট গড়ে ১৪০ রানের। কিন্তু ওয়েডের অস্ট্রেলিয়ার কাছ থেকে কী দেখা গেল? প্রথম ম্যাচে ১৩১ রান তাড়া করতে নেমে ১০৮ রানে অলআউট।

পরের ম্যাচে আগে ব্যাট করে পুরো ২০ ওভার খেলে ৭ উইকেটে ১২১। কে বলবে এই অস্ট্রেলিয়া সেই অস্ট্রেলিয়া—শেষ বলের আগপর্যন্ত যারা হাল ছাড়ত না। নতুন খবর হচ্ছে বাংলাদেশের এমন পারফরম্যান্সে অনেক খুশি হয়েছেন অস্ট্রেলিয়ান সাবেক উইকেত কিপার ব্যাটসম্যান,

তিনি বলেন , আমার কাছে মনে হচ্ছে। আমাদের ছেলেদের মনোবল একেবারেই ভেঙ্গে গেছে। বাংলাদেশ দারুণ খেলছে সে তুলনায় অস্ট্রেলিয়ার তেমন কোন সফলতা আমার চোখে পরছেনা। তবে আমি আশাবাদী ছেলেরা ঘুরে দাঁড়াবে এবং টাইগারদের সাথে লড়াই করবে। সিরিজ টা নিজের করে নিতে সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাবে।

You May Also Like

About the Author: